বাংলাদেশ বিষয়াবলী@ বাঙালী জাতির অভ্যুদ্বয়

বাংলাদেশ বিষয়াবলী@ বাঙালী জাতির অভ্যুদ্বয়

 বাংলাদেশ বিষয়াবলী@ বাঙালী জাতির অভ্যুদ্বয়
 বাংলাদেশ বিষয়াবলী@ বাঙালী জাতির অভ্যুদ্বয়


প্রশ্ন: বাঙ্গালী জাতির পরিচয় কি?
উঃ শংকর জাতি হিসেবে।
প্রশ্ন: বাংলা ভুমি খন্ডের প্রাচীন জনপদগুলোর নাম কি কি?
উঃ গৌড় -(পুন্ড্রু, বরেন্দ্রীয়, রাঢ়), সুহ্ম-(তাম্র, লিপ্পি, সমতট), বঙ্গ-(বঙ্গাল, হরিকেল)
প্রশ্ন: রাজা শশাঙ্কের শাসনামলের পর বঙ্গ দেশ কয়টি জনপদে বিভিক্ত ছিল?
উঃ ৩টি । যথাঃ পুন্ড্রু, গৌড়, বঙ্গ।
প্রশ্ন: প্রাচীন জনপদ পুন্ড্রের রাজধানীর ধ্বংশাবশেষ বর্তমান বাংলাদেশের কোথায় পাওয়া যায়?
উঃ বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে।
প্রশ্ন: দেশবাচক নাম হিসেবে বাংলা শব্দের ব্যবহার কখন প্রয়োগ হয় ?
উঃ মুসলিম শাসনামলের প্রথম দিকে।
প্রশ্ন: সম্রাট আকবরের আমলে সমগ্র বঙ্গদেশ কি নামে পরিচিতি ছিল ?
উঃ সুবহ-ই-বাঙ্গালাহ নামে।
প্রশ্ন: Bengal এবং Bangla কোন শব্দের রুপান্তর?
উঃ ফারসী ‘বাঙ্গালহ্’ শব্দের।
প্রশ্ন: কোন গ্রন্থে বাংলা শব্দের প্রথম ব্যবহার হয়েছে?
উঃ আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে।
প্রশ্ন: সমগ্র বাংলাদেশ ‘বঙ্গ’ নামে ঐক্যবদ্ধ হয় কোন আমলে?
উঃ পাঠান আমলে।
প্রশ্ন: প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ বলতে কোন অঞ্চলকে বুঝায়?
উঃ আধুনিক মুর্শিদাবাদ জেলার রাঙামাটি গ্রামকে।
প্রশ্ন: আর্যগণ কবে বাংলাদেশে আগমন করে?
উঃ ২০০০ খ্রিঃ পূর্বাব্দে।
প্রশ্ন: আর্যগণ আগমনের পূর্বে এ দেশে কাদের বসবাস ছিল?
উঃ অনার্যদের
প্রশ্ন: চীনা পরিব্রাজক হিউ-এন-স্যঙ কবে বাংলায় আগমন করেন ?
উঃ সপ্তম শতকে।
প্রশ্ন: বাংলার শাসন পদ্ধতি সুষ্পষ্ট বিবরণ পাওয়া যায় কোন যুগে ?
উঃ গুপ্ত যুগে।
প্রশ্ন: কোন সম্রাটের আমলে এ দেশে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার ঘটে ?
উঃ সম্রাট অশোকের আমলে।
প্রশ্ন: প্রাচীন সভ্যতার অভ্যুদয় ঘটে কোথায়?
উঃ এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ।
প্রশ্ন: প্রাচীন বাংলাদেশে কয়টি জনপদ বিভক্ত ছিল ?
উঃ তিনটি জনপদে।
প্রশ্ন: আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম কি ?
উঃ বেদ।
প্রশ্ন: বৈদিক যুগের শিক্ষার ভাষা কি ছিল ?
উঃ সংস্কৃত।
প্রশ্ন: বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর কোন ভাষাভাষা ছিল ?
উঃ অষ্ট্রিক।
প্রশ্ন: সিন্ধু সভ্যতা কোন যুগের?
উঃ তাম্র যুগের।
প্রশ্ন: সিন্ধু সভ্যতা কখন আবিস্কার হয়?
উঃ ১৯২২ সালে।
প্রশ্ন: গৌতম বুদ্ধের জন্ম স্থান কোথায়?
উঃ লুম্বিনী (নেপাল)।
প্রশ্ন: বাঙ্গালী জাতির পরিচয় কি?
উঃ শংকর জাতি হিসেবে।
প্রশ্ন: বাংলা ভুমি খন্ডের প্রাচীন জনপদগুলোর নাম কি কি?
উঃ গৌড় -(পুন্ড্রু, বরেন্দ্রীয়, রাঢ়), সুহ্ম-(তাম্র, লিপ্পি, সমতট), বঙ্গ-(বঙ্গাল, হরিকেল)
প্রশ্ন: রাজা শশাঙ্কের শাসনামলের পর বঙ্গ দেশ কয়টি জনপদে বিভিক্ত ছিল?
উঃ ৩টি । যথাঃ পুন্ড্রু, গৌড়, বঙ্গ।
প্রশ্ন: প্রাচীন জনপদ পুন্ড্রের রাজধানীর ধ্বংশাবশেষ বর্তমান বাংলাদেশের কোথায় পাওয়া যায়?
উঃ বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে।
প্রশ্ন: দেশবাচক নাম হিসেবে বাংলা শব্দের ব্যবহার কখন প্রয়োগ হয় ?
উঃ মুসলিম শাসনামলের প্রথম দিকে।
প্রশ্ন: সম্রাট আকবরের আমলে সমগ্র বঙ্গদেশ কি নামে পরিচিতি ছিল ?
উঃ সুবহ-ই-বাঙ্গালাহ নামে।
প্রশ্ন: Bengal এবং Bangla কোন শব্দের রুপান্তর?
উঃ ফারসী ‘বাঙ্গালহ্’ শব্দের।
প্রশ্ন: কোন গ্রন্থে বাংলা শব্দের প্রথম ব্যবহার হয়েছে?
উঃ আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে।
প্রশ্ন: সমগ্র বাংলাদেশ ‘বঙ্গ’ নামে ঐক্যবদ্ধ হয় কোন আমলে?
উঃ পাঠান আমলে।
প্রশ্ন: প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ বলতে কোন অঞ্চলকে বুঝায়?
উঃ আধুনিক মুর্শিদাবাদ জেলার রাঙামাটি গ্রামকে।
প্রশ্ন: আর্যগণ কবে বাংলাদেশে আগমন করে?
উঃ ২০০০ খ্রিঃ পূর্বাব্দে।
প্রশ্ন: আর্যগণ আগমনের পূর্বে এ দেশে কাদের বসবাস ছিল?
উঃ অনার্যদের
প্রশ্ন: চীনা পরিব্রাজক হিউ-এন-স্যঙ কবে বাংলায় আগমন করেন ?
উঃ সপ্তম শতকে।
প্রশ্ন: বাংলার শাসন পদ্ধতি সুষ্পষ্ট বিবরণ পাওয়া যায় কোন যুগে ?
উঃ গুপ্ত যুগে।
প্রশ্ন: কোন সম্রাটের আমলে এ দেশে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার ঘটে ?
উঃ সম্রাট অশোকের আমলে।
প্রশ্ন: প্রাচীন সভ্যতার অভ্যুদয় ঘটে কোথায়?
উঃ এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ।
প্রশ্ন: প্রাচীন বাংলাদেশে কয়টি জনপদ বিভক্ত ছিল ?
উঃ তিনটি জনপদে।
প্রশ্ন: আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম কি ?
উঃ বেদ।
প্রশ্ন: বৈদিক যুগের শিক্ষার ভাষা কি ছিল ?
উঃ সংস্কৃত।
প্রশ্ন: বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর কোন ভাষাভাষা ছিল ?
উঃ অষ্ট্রিক।
প্রশ্ন: সিন্ধু সভ্যতা কোন যুগের?
উঃ তাম্র যুগের।
প্রশ্ন: সিন্ধু সভ্যতা কখন আবিস্কার হয়?
উঃ ১৯২২ সালে।
প্রশ্ন: গৌতম বুদ্ধের জন্ম স্থান কোথায়?
উঃ লুম্বিনী (নেপাল)।
ইন্টারনেটের টপ সাইট নিয়ে চমৎকার কথোপকথন (ইংরেজী টু বাংলা)

ইন্টারনেটের টপ সাইট নিয়ে চমৎকার কথোপকথন (ইংরেজী টু বাংলা)

ইন্টারনেটের টপ সাইট নিয়ে চমৎকার কথোপকথন (ইংরেজী টু বাংলা)
ইন্টারনেটের টপ সাইট নিয়ে চমৎকার কথোপকথন (ইংরেজী টু বাংলা)


What is Google? 
-
গুগল কি?
Google is just search engine. 
-
গুগল শুধুমাত্র একটা সার্চ ইঞ্জিন
Google the word .
-
গুগলে লিখে সার্চ করো
Search the word with Google. 
-
গুগলে সার্চ করো
Do you know the URL of the website??. 
-
তুমি কি ওয়েব সাইটটির ইউ আর এল জানো?
No, I don't. You know? 
-
আমি জানিনা, তুমি জানো? ?
You misspell the word .
-
তুমি শব্দটির বানান ভুল করেছো
What is the name of the site? 
-
ওই সাইট টার নাম কী?
Did you Facebook today? 
-
আজ কি ফেসবুকে গিয়েছো ?
Internet gives you a wide variety of choices. 
-
ইন্টারনেট আপনাকে পছন্দসই বহু জিনিস দিয়েছে
Do you use Internet on your mobile ??
-
আপনি কি আপনার মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন? ?
Click the home page.
-
হোম পেজে ক্লিক করুন
Book mark this page now that you can find it later. 
-
পাতাটা বুক মার্ক করে রাখুন যাতে পরে এটা খুঁজে নিতে পারেন
How dies history help us??
-
হিস্ট্রি কিভাবে আমাদের সাহায্য করে? 
History helps us to find our previous sessions. 
-
হিস্ট্রি আমাদের আগের কাজগুলো খুজে পেতে সাহায্য করে
Mozila is a browser. 
-
মজিলা একটা ব্রাউজার
Did you browse my site?
-
তুমি কি আমার সাইটে ব্রাউজ করেছিলে?
What Can i do with Facebook? -আমি ফেসবুকে কি কি করতে পারি?
You can makes friends, 
-
তুমি বন্ধুত্ব করতে পারবে
And you can find out long friends on Facebook. 
-
এবং অনেক দিন হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের খুঁজে পেতে পারবে
I have an account on Facebook.
-
ফেসবুকে আমার একটা একাউন্ট আছে
Okay, you can add me.
-
ঠিক আছে , তুমি আমাকে সংযুক্ত করতে পারো
Should i send you a request? 
-
আমি কি অনুরোধ পাঠাবো? 
Yes, I will accept it later. 
-
হ্যা, আমি সেটা পরে গ্রহন করবো
You can PM ( personal massage) me to my inbox. 
-
তুমি আমার ইনবক্সে পার্সোনাল মেসেজ দিতে পারো
Or you can write on my wall.
-
অথবা তুমি আমার দেয়ালে লিখতে পারো
How I have been hacked? 
-
কিভাবে আমাকে হ্যাক করা হলো?
It's very much probable when you log from another site into Facebook. 
-
এটা খুব সম্ভবত তুমি যখন অন্য সাইট থেকে ফেসবুকে ঢুকো তখন ঘটে
Why do you use twitter? 
-
তুমি কেন টুইটার ব্যবহার করো? 
Yes i use twitter because it is a social networking site.
-
হ্যা, আমি টুইটার ব্যবহার করি কারণ এটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
Do you know about eBay? 
-
তুমি কি ইবে সম্পর্কে জানো?
Yes, it's website for buy and sell. 
-
হ্যা, এটা কেনা বেচা বিষয়ক ওয়েবসাইট
I need to block. Can you recommend some names? 
-
আমি ব্লক করতে চাইতুমি কি আমাকে কিছু নাম দিতে পারো?
There are many websites like my opera, blogger, word press and so on.
-
অনেক ওয়েবসাইট আছে যেমন মাই অপেরা, ব্লগার, ওয়ার্ডপ্রেস এবং আরো অনেক

৩৮তম লিখিত এবং ৪০তম Preliminary: নিজেকে গড়বেন কিভাবে

৩৮তম লিখিত এবং ৪০তম Preliminary: নিজেকে গড়বেন কিভাবে

৩৮তম লিখিত এবং ৪০তম Preliminary: নিজেকে গড়বেন কিভাবে
৩৮তম লিখিত এবং ৪০তম Preliminary: নিজেকে গড়বেন কিভাবে

৩৮তম লিখিত এবং ৪০তমতে যারা নিজেকে বিসিএস ক্যাডার রূপে দেখতে চান তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা............................
.............................
নিজেকে গড়বেন কিভাবে ??.....
ㅡㅡㅡㅡㅡㅡㅡ
জীবনে সফলতার দেখা পেতে হাজার হাজার উপদেশ তো পেয়েছেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তকে সর্বোচ্চ কাজে লাগানোতেই সফলতা আসে। কিছু অভ্যাস বা পদ্ধতির চর্চা থাকলে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবেশ ও পরিস্থিতি যাই থাকুক না কেনো, আপনি ব্যর্থ হবেন না। এর প্রদর্শনই আপনার পরিচয় ফুটিয়ে তুলবে।স্কুল কলেজের গণ্ডি পার হয়ে ইউনিভার্সিটি ভর্তি, দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে উন্নিত হওয়া। ২০ বছর বয়সের থেকেই ছেলে মেয়েরা নিজেদের গড়ে তোলার ব্যাপারটি বুঝতে শিখে থাকে। ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে গড়ে নেওয়ার এটিই মোক্ষম সময়। এই সময়ে কিছু বিষয় হয়তো হাতে কলমে শিখিয়ে দেয়া হবে তাদেরকে। কিন্তু জীবনের বেশ কিছু শিক্ষা শিখে নিতে হবে নিজে থেকেই।
আর হ্যাঁ,,,দয়া করে হতাশ হবেন না,,,অনেকে হয়ত অনেক জায়গায় পরীক্ষা দিচ্ছেন কিন্তু টিকছেন না,,এতে হতাশ বা চিন্তিত হবার কোনো দরকার নেই,বরং নতুন উদ্যমে পূনরায় শুরু করুন,,,,দেখবেন অন্ধকার পেরিয়ে আলো আসবেই,,,,,,,,
জীবনের নানা বাঁকে মুমীনের জীবনে হতাশ হবার মতো পরিস্থিতি প্রতি পদে পদেই আসতে পারে। দুঃখ কষ্ট জীবনেই অংশ। এসব এলেই হতাশ হয়ে পড়া কোন মুমীনের লক্ষণ নয়। এগুলো এলে কি করতে হবে তা-ও আল্লাহপাক বাতলে দিয়েছেন।
আল-কোরআনে বলা হয়েছে,
মানুষকে যখন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে আমাকে ডাকতে শুরু করে, এরপর আমি যখন তাকে আমার পক্ষ থেকে নেয়ামত দান করি, তখন সে বলে, এটা তো আমি পূর্বের জানা মতেই প্রাপ্ত হয়েছি। অথচ এটা এক পরীক্ষা, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বোঝে না। (সুরা আল জুমার, আয়াত: ৪৯)
সুতরাং,,আল্লাহর উপর ভরসা রেখে চেষ্টা করে যান৷
সফলতা, উন্নতি এবং সঠিকভাবে জীবন যাপনের জন্য নিজেকে গড়ে নেওয়ার দীক্ষা কেউ শিখিয়ে দিতে পারে না। বুঝে নিতে হয় নিজ থেকেই।জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সময় আবার পুনরায় ফিরে পাওয়া সম্ভব নয় একেবারেই। সুতরাং সময়গুলোকে গুরুত্ব দিলে পরবর্তীতে তা নিয়ে আর আফসোস থাকবে না।
মনে রাখবেন,আপনাকে চেষ্টা করতে হবে; ব্যর্থ হবেন এবং আবার চেষ্টা করতে হবে।
বিঃদ্রঃ
শুধুমাত্র যারা কোনো কোচিং করে না বা যারা actual কোনো গাইড লাইন পান না, যারা বিসিএস জগতে প্রথম তাদের উপকারের লক্ষ্যে আমি একটি গঠনমূলক সাজেশন( বিসিএস প্রিলিমিনারি,লিখিত ও ভাইভা) তৈরী করেছি, যে বা যারা নিতে ইচ্ছুক, তারা ইনবক্সে যোগাযোগ করবেন৷ আশা করি সাজেশানটি আপনাকে পরিপূর্ণরূপে প্রস্তুতি গ্রহণে সহায়তা করবে৷
..................
জাহিদুল ইসলাম জাহিদ
শিক্ষক ( মাধ্যমিক বিদ্যালয়)
এবং জাহিদ‘স বিসিএস কোচিং সেন্টার, বিসিএস ৷
এবং
প্রাক্তন শিক্ষক ( কনফিডেন্স কোচিং সেন্টার,,বিসিএস)৷
বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সবচেয়ে ভাল সাজেশন

বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সবচেয়ে ভাল সাজেশন

বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সবচেয়ে ভাল সাজেশন
বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সবচেয়ে ভাল সাজেশন

বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সবচেয়ে ভাল সাজেশন

লিখেছেন সৈকত তালুকদার
-------------------------
-------------------------
প্রথমেই বাজার থেকে বিগত বছরের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন সম্বলিত যেকোন একটি গাইড বই কিনুন। প্রশ্নগুলো দেখুন। প্রশ্নের প্যাটার্ন বোঝার চেষ্টা করুন। আপনি কোথায় দুর্বল কোথায় সবল সেটা চিহ্নিত করুন।
এবার প্রিলির মতো এখানেও আমি আপনাদের দুইটি ভাগে ভাগ করে দিলাম। এক) প্রস্তুতি ছাড়াই শুধু ভাগ্যের জোরে প্রিলি পাস করে ফেলেছেন কিন্তু এখন কিছুই বুঝতে পারছেন না। দুই) প্রিলির বইগুলো পড়ে বা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েই প্রিলি পাস করেছেন।
===বাংলা===
আপনি যদি প্রথম দলের সদস্য হোন তাহলে ড. সৌমিত্র শেখরের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং ব্যাকরণ অংশের জন্য ড. হায়াত মামুদের উচ্চতর বিশুদ্ধ ভাষা শিক্ষা বই দুইটার পাশাপাশি বাংলা বিষয়ের সার্বিক প্রস্তুতির জন্য ওরাকল বাংলা বইটি কিনে ফেলতে পারেন। গ্রন্থ-সমালোচনার জন্য মোহসীনা নাজিলার শীকর গ্রন্থ-সমালোচনা বইটি দেখুন। অনুবাদের জন্য নিয়মিত বিডিনিউজ বা প্রথম আলো পত্রিকা ওয়েবসাইট থেকে বাংলা ও ইংরেজী ভার্সন পড়ুন। এর পাশাপাশি নবদূত HSC English Supplementary Practice with Suggestions and Solutions বইটি দেখতে পারেন।
দ্বিতীয় দলের সদস্য হলে বাংলা বিষয়ের সার্বিক প্রস্তুতির জন্য ওরাকল বাংলা বইটি কিনে ফেলতে পারেন। গ্রন্থ-সমালোচনার জন্য মোহসীনা নাজিলার শীকর গ্রন্থ-সমালোচনা বইটি দেখুন। অনুবাদের জন্য নিয়মিত বিডিনিউজ বা প্রথম আলো পত্রিকা ওয়েবসাইট থেকে বাংলা ও ইংরেজী ভার্সন পড়ুন। এর পাশাপাশি নবদূত HSC English Supplementary Practice with Suggestions and Solutions বইটি দেখতে পারেন।
===ইংরেজী===
আপনি যদি প্রথম দলের সদস্য হোন তাহলে ইংরেজী গ্রামারের জন্য মহিউদ্দীন ও কাশেমের A Test-book of Advanced Functional English বইটি আগে পড়ুন। মিলারস প্রকাশনীর সেলফ অ্যাসেসমেন্ট ইংরেজী বইটি পড়ুন। সহজ ভাষায় লেখা বইটি। অনুবাদের জন্য নিয়মিত বিডিনিউজ বা প্রথম আলো পত্রিকা ওয়েবসাইট থেকে বাংলা ও ইংরেজী ভার্সন পড়ুন। এর পাশাপাশি নবদূত HSC English Supplementary Practice with Suggestions and Solutions বইটি দেখতে পারেন।
দ্বিতীয় দলের সদস্য হলে ওরাকল বা প্রফেসরস প্রকাশনের ইংরেজী বইটি পড়ুন। অনুবাদের জন্য নিয়মিত বিডিনিউজ বা প্রথম আলো পত্রিকা ওয়েবসাইট থেকে বাংলা ও ইংরেজী ভার্সন পড়ুন। এর পাশাপাশি নবদূত HSC English Supplementary Practice with Suggestions and Solutions বইটি দেখতে পারেন।
===গণিত===
আপনি যদি প্রথম দলের সদস্য হোন তাহলে নবম ও একাদশ শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই থেকে ব্যাসিক জিনিসগুলো জানুন। এরপর ওরাকল গণিত বইটির পাশাপাশি সাথে নবম ও একাদশ শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই থেকে লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অধ্যায়গুলো দেখুন। মানসিক দক্ষতার জন্য ওরাকল মানসিক দক্ষতা বইটি পড়ুন।
দ্বিতীয় দলের সদস্য হলে ওরাকল গণিত বইটির পাশাপাশি সাথে নবম ও একাদশ শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই থেকে লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অধ্যায়গুলো দেখুন। Indiabix বা Sawaal ওয়েবসাইট থেকে মানসিক দক্ষতার প্রশ্নগুলো পড়ুন।
===সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি===
প্রথম দলের সদস্য হলে ক্লাস নাইনের সাধারণ বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বইগুলো পড়ুন। কম্পিউটার অংশের জন্য মুজিবুর রহমানের উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা বইটি দেখুন। এরপর লিখিত পরীক্ষার জন্য ওরাকল প্রকাশনীর সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বইটি দেখুন। এছাড়া প্রিলির জন্য কেনা মুজিবুর রহমানের উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা বইটি পড়ুন।
দ্বিতীয় দলের সদস্য হলে লিখিত পরীক্ষার জন্য ওরাকল প্রকাশনীর সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বইটির পাশাপাশি মুজিবুর রহমানের উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা বইটি পড়ুন।
===বাংলাদেশ বিষয়াবলী===
প্রথম দলের সদস্য হলে মিলারস প্রকাশনীর সেলফ অ্যাসেসমেন্ট বইটি পড়ুন। বইটি সহজ ভাষায় ছোট ছোট প্যারা করে লেখা তাই পড়তে বিরক্তি আসেনা। তাছাড়া ছোট প্যারা থাকার কারণে মনে রাখা সহজ। আরিফ খানের সহজ ভাষার সংবিধান ও সরকার কর্তৃক প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা পড়ুন। এছাড়া লিখিত পরীক্ষার কিছুদিন আগে অ্যাসিওরেন্স লিখিত ডাইজেস্ট বইটি অবশ্যই কিনবেন।
দ্বিতীয় দলের সদস্য হলে যেকোন একটা গাইড বই কিনুন। সংবিধান ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা পড়ুন। দৈনিক পত্রিকায় নিয়মিত চোখ রাখুন। লিখিত পরীক্ষার কিছুদিন আগে অ্যাসিওরেন্স লিখিত ডাইজেস্ট বইটি অবশ্যই সংগ্রহ করবেন।
===আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী===
প্রথম দলের সদস্য হলে আপনি ড. নীহার কুমার সরকারের ছোটদের রাজনীতি ছোটদের অর্থনীতি, মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নাগরিকদের জানা ভালো বই দুইটি পড়ুন। যেকোন একটা গাইড বই কিনুন। আন্তর্জাতিক রাজনীতি সম্পর্কে মৌলিক কিছু জানতে শাহ্‌ মোঃ আব্দুল হাই এর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সংগঠন ও পররাষ্ট্রনীতি পড়তে পারেন।
দ্বিতীয় দলের সদস্য হলে যেকোন একটা গাইড বই কিনুন। আন্তর্জাতিক রাজনীতি সম্পর্কে মৌলিক কিছু জানতে শাহ্‌ মোঃ আব্দুল হাই এর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সংগঠন ও পররাষ্ট্রনীতি পড়তে পারেন।
সফলতা শুধু আপনার জন্যই

সফলতা শুধু আপনার জন্যই

সফলতা শুধু আপনার জন্যই
সফলতা শুধু আপনার জন্যই


সফলতা শুধু আপনার জন্যই



আপনি যখন জিতে যাবেন তখন আপনার চারপাশে সবাই জিতে যাবে। সেই মুখগুলো আপনাকে নিয়ে খুব গর্ব করবে একদিন যে মুখগুলো আপনাকে দেখলে কালো হয়ে যেতো। অনেক অপরিচিত মুখও আপনার কাছে পরিচিত হয়ে যাবে। এমন অনেক জায়গা থেকে আপনার নাম্বারে ফোন আসবে যাদের নামও আপনি শুনেন নাই। আপনি হবেন সবার মধ্যমণি।

কিন্তু যদি আপনি হেরে যান, তাহলে শুধু আপনি একাই হারলেন। কেউ আপনার সঙ্গী হবে না। একমাত্র মা ব্যতিত। যে গার্লফ্রেন্ডের/বয়ফ্রেণ্ডের সাথে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত কথা বলে কাটিয়েছেন, যার জন্য মানি ব্যাগের চেইন পর্যন্ত ছিড়ে গেছে সেও দেখবেন আপনাকে ভুলে গেছে। হয়তো বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা কোন এএসপিকে বিয়ে করে সুখের বাসর সাজাচ্ছে। যে আত্মীয় স্বজন এক সময় আপনাকে নিয়ে গর্ব করতো তারা আপনাকে নিয়ে টিজ করবে, তাদের কাছে হবেন আপনি তামাশার পাত্র। এই ভাবে বলবে "কিরে বাপের টাকা আর কতদিন নিবি, অনার্স মাস্টার্স করে জীবনে কি করলি ... চাকরি বাকরি কোন কিছু কররে বাপু..... এইরকমও আরো কত কিছু আপনাকে শুনতে হবে তার কোন হিসাব নাই। এটাই অমানুষদের স্বভাব। আর জেনে রাখবেন অনেক সময় অমানুষ গুলোর ছেহেড়া দেখতে অবিকল মানুষের মতোই মনে হয়।

আপনি যখন দু:সময়ে থাকবেন তখন আপনার জবান কে বন্ধ রাখুন। হতাশ হবেন না, ভেঙ্গে পড়বেন না। নীরব নিস্তব্ধভাবে প্রস্তুতি নিন উপযুক্ত জবাব দেয়ার জন্য। আর সেই জবাব টা কি জানেন??? শুধু মাত্র একটা সফলতা। আপনার একটা সফলতা আপনার সমস্ত সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দেবে। তাদের জন্য উপযুক্ত জবাব হয়ে যাবে। তাদের মুখে সুপার গ্লুর মতো আটা লাগিয়ে দিবে। এবং এটা আপনার দ্বারা খুবই সম্ভব। কিন্তু আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমরা সবাই জান্নাতে যেতে চাই কিন্তু কেউ মরতে চাই না। কিন্তু সেটাতো অসম্ভব। আর এই অসম্ভব কাজটাকে সম্ভব করার জন্য আপনার জীবন থেকে চারটা "P' কে বাদ দিন আর ছয়টা টা "P" কে জীবনের সাথে যোগ করুন। রব্বে কারীমের কসম করে বলছি, যদি এই গুলো করতে পারেন তাহলে দুনিয়া আখেরাতের সফলতার যত দড়জা আছে সব আপনার জন্য খোলে যাবে।

যে চারটা P কে জীবন থেকে বাদ দিবেন:-----

প্রথম P : Procrastination মানে হলো কাল ক্ষেপণ, আজ নয় কাল, কাল নয় পড়শু এভাবে শুধু নিজেকে পিছিয়ে। আপনাকে ডুবিয়ে দেয়ার জন্য শয়তান আর প্রবৃত্তির সবচেয়ে বড় হাতিয়ার এই একটা P ই যথেষ্ট। আপনি ভাবছেন বিকাল থেকে পড়া শুরু করবেন, কিংবা আগামীকাল থেকে পড়া শুরু করবেন। মনে রাখবেন সেই বিকাল কিংবা আগামীকাল আপনার জীবনে আর কখনো আসবে না। সেটা শুধু "আগামী" বলেই থেকে যাবে। খুব ভালো করে মনে রাখুন যে সময়টা আপনি অনর্থক ফেইছবুক চালাচ্ছেন, কম্পিউটারে গেইম খেলতেছেন, অনর্থকভাবে বন্ধুদের সাথে ঘন্টার ঘন্টা টি স্টলে বইসা আড্ডা দিতেছেন, রাতের পর রাত গার্লফ্রেন্ড কিংবা বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে কথা বলে কাটাচ্ছেন ঠিক সেই সময়টাতে আপনার অন্য একজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রাতের পর রাত, ঘন্টার পর ঘন্টা তার পড়ার পিছনে ব্যয় করতেছে। তাহলে কিভাবে আশা করেন যে আপনার আর তার ফলাফল এক হবে??? তাই এখনো সময় আছে জীবন টাকে রুটিনে নিয়ে আসেন। বাসার মধ্যে সময়টাকে পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগান। অবসর সময় গুলোকেও কাজে লাগান প্যাডের মাধ্যমে । ছোট ছোট প্যাড কিনুন। কোনটাতে সাধারণ জ্ঞান লিখুন, কোনটাতে ভোকাবুলারি, কোনটাতে বাংলা সাহিত্য... এভাবে লিখে আস্তে করে নিজের প্যান্টের পকেটে ডুকিয়ে দেন। টিউশনিতে গেলে, কিংবা কর্মক্ষেত্রে গেলে ডেস্কের উপরে কিংবা আপনার চোখের সামনে এটা কে রাখুন। স্টূডেন্ট পড়ানোর পাশাপাশি কিংবা অফিসের কাজের ফাকে ফাকে যখনেই সুযোগ পান একবার এটার দিকেন থাকান। রাস্তাঘাটে, কিংবা রিক্সায় বাসে চড়ার সময় রাস্তায় সুন্দরী ছেলে মেয়েদের দিকে না থাকিয়ে আপনার প্যাডের দিকে থাকান। দেখবেন, দেখতে দেখতেই আপনার সাধারণ জ্ঞান, ভোকাবুলারি, ইডিয়মস এন্ড ফ্রেইজ কিংবা বাংলা সাহিত্য মুখস্থ হয়ে যাচ্ছে। ভোকাবুলারি শেখার এর চেয়ে সহজ পন্থা আর পাবেন না। জীবন টাকে এভাবেই মানিয়ে নিন।

দ্বিতীয় P :- Phobia মানে ভয়। অনেক কিছুর ভয় হতে পারে যেমন নিজের অযোগ্যতার ভয়, নিজের অক্ষমতার ভয়, মানুষের সমালোচনার ভয়.... আরো কত কি। নিজের যোগ্যতা আর সক্ষমতার ব্যপারে যদি আপনার ভয় হয়, তাহলে আপনার জন্য বলছি, আপনি কি জানেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কোরআনে দুই প্রসিদ্ধ ফল আর দুইটা পবিত্র এবং নিরাপদ নগরীর কসম খেয়ে বলেছেন " আমি মানুষ কে অতি উত্তম গঠনে সৃষ্টি করেছি " এই উত্তম গঠনের মধ্যে একটা মানুষের যত ধরণের গুনাবলী দরকার যেমন তার যোগ্যতা, সক্ষমতা, মেধা , শক্তি, সাহস, বীরত্ব সব গুলো আল্লাহ দিয়ে দিয়ছেন। অর্থাৎ আপনার মধ্যে অনেক যোগ্যতা আছে যা আপনি জানেন না। কিংবা কখনো আপনি জানার চেষ্টাও করেন নাই। তাই আপনার দায়িত্ব হলো আপনি নিজেকে নিজের মধ্য থেকে আবিষ্কার করুন। আপনি যোগ্য বলেই আপনি SSC, HSC, অনার্স, মাস্টার্স সব পাশ করছেন। সুতরাং আপনি এই কথা বলবেন না যে চাকরি টা আমার দরকার, কারণ এই কথার দ্বারা আপনার একটা অসহায়ত্ব বুঝায় বরং আপনি বলুন এই চাকরিটা আমার জন্যই, আমি চাকরিটা ডিজার্ভ করি। আমাকেই সেখানে যেতে হবে। আমিই এটার উপযুক্ত ব্যক্তি। আর সমালোচনার ভয়??? আপনি যদি V for vendetta মুভিটা দেখে থাকেন তাহলে দেখবেন তাতে নায়কের একটা monologue আছে যেখানে V দিয়ে অনেক গুলো ওয়ার্ড বলা হয়। এদের মধ্যে একটা ওয়ার্ড ছিলো Vermin যার অর্থ হলো নিচু শ্রেনীর মানুষ বা জাত ছোটলোক। আর তারা কারা জানেন?? পশ্চাতে যারা আপনার সমালোচনা করে তারা হচ্ছে ঐ vermin বা নিচু ও ছোটলোক শ্রেনীর মানুষ। সুতরাং এদের সমালোচনা কানে নিয়ে এদের কে উপরের শ্রেণীতে তুলবেন না । ছোটলোক গুলোকে ছোটলোকের শ্রেনীতে থাকতে দিন। এদেরকে ভালোওবাসবেন না ঘৃণাও করবেন না। এদেরকে শুধু উপেক্ষা করুন। আপনার আপন লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যান।

তৃতীয় P :- Pessimistic বা হতাশগ্রস্থ। এই P টাকেও আপনার জীবন থেকে দূর করতে হবে। অবস্থার যতই অবনতি হোক না কেন, যেকোন প্রতিকূল পরিস্থিতিই আসুক না কেন, কখনোই হতাশ হবেন না। মনে রাখবেন এই দুর্যোগপূর্ন পৃথিবীর কোন কিছুই চিরস্থায়ী নয়। এমন কি আমাদের সমস্যা গুলোও। সব সময় নিজেকে আশা ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি আবদ্ধ রাখুন। ভাবুন আমার অবস্থা যেমন তার চেয়েও আরো অধিক খারাপ হতে পারতো। এখনতো অনেক ভালো আছি। খুব শীঘ্রই আল্লাহ আমার দু:সময় দূর করে দেবেন। আর আল্লাহ বান্দার আশা অনুযায়ী তার ব্যাপারে ফায়সালা দেয়। নিজেকে সব সময় বলুন আমি হেরে যাবার পাত্র নই। আমি হেরে যাবো বলে স্বপ্ন দেখে নি। আমি ক্লান্ত কিন্তু আমি পরাজিত নই। আমাকে আমার গন্তব্যে যেতেই হবে। আমি থেমে যাওয়ার পাত্র নই। আমি লক্ষ্যে অবশ্যই পৌছাবো।

চতুর্থ P : Parasite মানে পরজীবী। এই P টাকেও দূর করতে হবে। কারো কাছে কোনভাবেই, না মানসিকভাবে, না আর্থসামাজিকভাবে কখনো পরজীবী হবেন না। এক মাত্র আল্লাহ ছাড়া কোন ব্যপারে কারো কাছে নির্ভরশীল হবেন না । বন্ধুর নোট শীটের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। নিজে নিজেই নোট করুন, নিজে নিজেই পড়ুন। নিজের ব্যক্তি সত্ত্বার সাথে কাউকে মিশ্রিত করবেন না। নিজের হৃদয়, মন, আবেগ অন্যের হাতে তুলে দিবেন না। জীবনের চলার পথটা একাই চলুন। একাকী পথ চলাটা কোন কঠিন কাজ না, কিন্তু কঠিন হয়ে যায় তখন, যখন কেউ একজন সঙ্গী হয়ে মাঝ পথ থেকে হারিয়ে যায়। যেটা আপনাকে নীরবে নিভৃতে খুব ভোগাবে। যা আপনি ছাড়া আর কেউ বুঝতে পারবে না। হয়তো বা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য বিশাল একটা হুমকিও হতে পারে। তাই এই Parasite এর P আপনার জীবন থেকে দূর করতে হবে।
.

যে ছয়টা "P" আপনার জীবনের সাথে যোগ করবেন:-

প্রথম P:- Positivity অর্থাৎ ইতিবাচক মনোভাব। আর এটার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি হলো " না এর সাথে না যোগ করুন, আর হ্যা এর সাথে হ্যা "। কেউ যদি বলে তোমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না, সাথে সাথে আপনিও বলে দিন "তোমার কথা ঠিক না", কেউ যদি বলে চেষ্টা করো পারবে, আপনিও বলুন ইনশাআল্লাহ, হ্যা আমি পারবো । সব কিছু ইতিবাচকভাবে চিন্তা করুন। নিজেকে ও নিজের যোগ্যতাকে রেস্পেক্ট করুন। জায়গা মতো সেগুলো কে প্রদর্শন করুন কিন্তু অহংকার করবেন না। যোগ্যতা প্রদর্শন এক জিনিস আর অহংকার আরেক জিনিস। আল্লাহ আপনাকে যোগ্যতা দিয়েছে সেটা তার পক্ষ থেকে আপনার উপর নিয়ামত। সেটাকে ব্যবহার করার জন্যই দিয়েছে, সিন্দুকে তালা দিয়ে রাখার জন্য নয়। এতে নেতিবাচক মানষিকতার মানুষ গুলো আপনাকে গালি দিয়ে বলবে "শালা তো নিজের ঢোল নিজে পিঠায় " আপনি বলে দিন আমার ঢোল আছে দেখেই আমি পিঠাতে পারি, পারলে আমার মতো একটা ঢোল অর্জন করে তুমিও পিঠানো শুরু করো। নিজের আকাঙ্ক্ষা আর স্বপ্ন গুলো কে সন্তানের মতো লালন পালন করুন। এই গুলোই আপনার চুড়ান্ত অর্জনের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠবে।

.
দ্বিতীয় P :- Passion বা অর্জন করার তীব্র আকাঙ্ক্ষা থাকতে হবে। এমন না যে পাইলে পাইলাম, না পাইলে নাই। এরকম মানসিকতা নিয়ে কখনো কোন কাজে সফল হতে পারবেন না। মানসিকতা এই রকম হওয়া চাই যে, আমার একটাই লক্ষ্য যে আমাকে ক্যাডার হতেই হবে, আমাকে জব পেতেই হবে, আমাকে সফল বিজনেসম্যান হতেই হবে -- দ্বিতীয় আর কোন অপশন নাই, দেখেবেন এই দৃড় প্রতিজ্ঞাই আপনাকে গন্তব্যে নিয়ে যাবে।

তৃতীয় P :- Plan বা পরিকল্পনা যার মানে হলো আপনার চারপাশে চড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলো এক ফ্রেমে আবদ্ধ করা। আর এর মুল উদ্দ্যেশ্যে হলো গুরুত্ব অনুযায়ী কাজকে প্রধান্য দেয়া। আমার কাজ তো অনেক আছে কিন্তু এই মুহুর্তে কোন কাজটা আমার জন্য সবচেয়ে জরুরী সেটাকে নির্ধারণ করে আগে করা। এভাবে ক্রমায়ন্বয়ে এগিয়ে যাওয়া। প্লান ছাড়া কোন কাজেই সফলতা আশা করা যায় না। দিন শেষে সবকিছু পণ্ডশ্রম মনে হবে। তাই প্লান হচ্ছে সফলতার মৌলিক ভিত্তি।

চতুর্থ P :- Perseverance মানে কঠোর অধ্যবসায় সাথে অনুশীলন। মনে পরিশ্রম আর অনুশীলন এই গুলো হচ্ছে এক ধরণের সুমিষ্ট পানীয়ের মতো যে এটা যত বেশী পান করবে তার জীবন ততবেশী সুমিষ্ট হবে। আপনি নিরবচ্ছিন্ন ভাবে অনুশীলন চালিয়ে যান। একবার ব্যর্থ হয়েছেন বলে থেমে যাবেন না , আবার শুরু করুন। কাজের মধ্যে লেগে থাকুন। কাজ করতে থাকুন ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ না আপনি আপনার গন্তব্যে না পৌছিয়েছেন। অবিরামভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যান।
.
পঞ্চম P :- Patient বা ধৈর্যশীল। কাজ করতে করতে অনেক সময় বিরুক্তি চলে আসবে, কিংবা হতাশা আসতে পারে কিন্তু এই মহুর্তে ধৈর্য্যের সাথে সব কিছু মোকাবেলা করতে হবে। মনে রাখবেন একটা রঙধনু দেখতে হলেও বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করতে হয়, জোছনার আলো উপভোগ করতে হলেও একটা রাতের জন্য অপেক্ষা করতে হয় আর আপনি এমন কিছু অর্জন করবেন যার মাধ্যমে আপনি সারাটা জীবন সুখে শান্তিতে কাটাবেন, তার জন্য কিছু অপেক্ষা করবেন না তা কি করে হয়। তাই অস্থিরও হওয়া যাবে না অলসও হওয়া যাবে না। ধৈর্য্যের সাথে সব মোকাবেলা করতে হবে। আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।

ষষ্ঠ P :- Prayer বা দোয়া। সফলতা হলো ৯৯% পরিশ্রম আর ১% দোয়ার যোগফল। তবে মাঝে মাঝে এই ১% যদি ঠিক না থাকে তাহলে বাকী ৯৯% ও অর্থহীন হয়ে পড়ে। অনেক আগে টিভিতে একটা গাড়ি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিত এইরকম গাড়িটা ৯৯% ভালো এর মধ্যে এ.সি, GPS সিস্টেম সেট করা আছে, এক্সট্রা ব্যাটারি সহ আরো অনেক কিছু। তবে ১% সমস্যা আছে আর সেটা হলো গাড়িটার ব্রেক গুলো নষ্ট। তো এই গাড়িটার ৯৯% যেরকমভাবে ১% এর জন্য অর্থহীন হয়ে গিয়েছে, ঠিক একইভাবে আমাদের ৯৯% পরিকল্পনা, পরিশ্রম অর্থহীন হয়ে যাবে যদি আমাদের ১% দোয়া ঠিক ভাবে না হয়, আল্লাহ যদি কবুল না করেন। তাই আপনি যে ধর্মেরই হোন না কেন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, ইয়াহুদি, ক্যাথলিক বা মুসলিম, আপনার পবিত্র ধর্মীয় রীতিমতো আন্তরিকতার আপনার সৃষ্টি কর্তার কাছে আপনার আকাঙ্ক্ষার জন্য প্রার্থনা করুন। যারা মুসলিম আছেন তারা অবশ্যই পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামাতের সাথে পড়বেন। কোন অবস্থাতেই এটা ছাড়বেন না। জীবন অনেক সহজ হয়ে যাবে। পারলে শেষ রাতে তাহজ্জুদ পড়ুন। সে সময় দুয়া কবুল হয়। আল্লাহর কাছে আকুতি মিনতি করে বলুন " হে আল্লাহ তুমি আমাকে মানুষের কাছে সমালোচনা বা তামাশার পাত্র বানিওনা। আমাকে যে যোগ্যতা দিয়েছো তা কাজের লাগানোর তৌফিক দেয়। কারো দুয়ারে লবিং এর জন্য দ্বারস্থ করিও না। আমাকে নিরাপদে আমার সফলতার গন্তব্যে পৌছে দেও। এইভাবে দোয়া করেন। মনে রাখবেন একজন ভিক্ষুক যদি বার বার আমাদের দড়জায় এসে কড়া নাড়ে তাহলে এক পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে হলেও তাকে কিছু দান করে বিদায় করে দেই। আমরা মানুষ হয়ে যদি এইরকম টা করতে পারি তাহলে আমাদের রব আল্লাহর দড়জায় যদি আমরা বার বার কড়া নাড়ি, তিনি অবশ্যই আমাদেরকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেবেন না।
At the end I will say that believe in your intuition as well as inner wisdom and follow the aforementioned instruction, In Sha Allah. Must Success will come.

Best Of Luck guys

প্রতিদিনের সাধারণ জ্ঞান (প্রথম আলো পত্রিকা) Part 6

প্রতিদিনের সাধারণ জ্ঞান (প্রথম আলো পত্রিকা) Part 6


  প্রতিদিনের সাধারণ জ্ঞান (প্রথম আলো পত্রিকা) Part
  প্রতিদিনের সাধারণ জ্ঞান (প্রথম আলো পত্রিকা) Part 6

১) ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্ব জনসংখ্যা - ৯ বিলিয়ন বা ৯০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে ( বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম)
২) ২০৫০ সালে বিশ্বের খাদ্য চাহিদা ২০০৬ সালের অবস্থান থেকে - ৬০% ছাড়িয়ে যাবে ( ঐ)
৩) জেরুজালেম ইস্যুতে আলোচনা চলছে - মাহমুদ আব্বাস ও পুতিনের মধ্যে
৪) ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট - রদ্রিগো দুতার্তে
৫) গুলি করে কমিউনিষ্ট নারীর গোপন অঙ্গহানির নির্দেশ দিয়ে আবারও তীব্র সমালোচনার মুখে - ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট
৬) ম্যালাকানাং শহরটি - ফিলিপাইনে
৭) অনলাইনে জঙ্গি সংক্রান্ত বিষয়বস্তু শনাক্ত ও তাৎক্ষণিকভাবে তা মুছে ফেলার জন্য তৈরি করা হয়েছে - যুক্তরাজ্যে একটি সফটওয়্যার
৮) এই সফটওয়্যার তৈরিতে অর্থ সহায়তা দেয় - যুক্তরাজ্য সরকার
৯) যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী - আম্বার রাড
১০) এই বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে IS এর কর্মকান্ড শনাক্ত করা যাবে - ৯৪% 
১১) সেই কর্মকান্ড এই সফটওয়্যার মুছতে পারবে - ৯৯.৯৫ % পর্যন্ত
১২) হাইতি ও চাদের পর এবার দ. সুদানেও দাতব্য সংস্থা অক্সফামের কর্মীদের বিরুদ্ধে - যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ
১৩) অক্সফাম হলো ব্রিটিশ - দাতব্য সংস্থা
১৪) হাইতিতে ভয়াভহ ভূমিকম্প হয় - ২০১০ সালে
১৫) অক্সফাম পরিচালতি বাংলাদেশে এতটি কর্মসূচির নাম - অ্যাকশন অ্যাগেইনস্ট হাঙ্গার "
১৬) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী - থেরেসা মে
১৭) রানি ২য় এলিজাবেথ কমনওয়েলথ জোটের প্রধান হন - ১৯৫৩ সালে
১৯) রানির মৃত্যুর পর ব্রিটিশ রাজ পরিবারের প্রধান হবেন - প্রিন্স চার্লস
২০) কমনওয়েলথ জোটের প্রধান হন - ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রধান ব্যক্তি
২১) কমনওয়েলথ গঠিত হয় - ১৯৩১ সালে
২২) এটি গঠন করেন - ষষ্ঠ জর্জ
২৩) বর্তমানে কমনওয়েলথের সদস্য দেশ -৫৩ টি
২৪) ব্রিটিশরাজ রাষ্ট্রপ্রধান - ১৫ টি দেশের
২৫) প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ টোঙ্গাতে আঘাত হানা ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের নাম - " গীতা " ( ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
২৬) এই গীতার আঘাতে উড়ে যায় - টোঙ্গার পার্লামেন্ট ভবন
২৭) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ৮ লাখ বৈধ কাগজপত্রবিহীন তরুন তরণীর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের বৈধতার প্রশ্নে যে কর্মসূচির নাম দেন তা হলো - " ড্রিমাস"
২৮) মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মানে ট্রাম্প বরাদ্দ চান - ২৫বিলিয়ন ডলার
২৯) ৪৮ ঘন্টার। মধ্যে পদত্যাগ করার আলটিমেটাম দেয়া হলো - দ. আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমাকে
৩০) এই আলটিমেটাম দেয় ক্ষমতাসীন দল - এএনসি
৩১) দ. আফ্রিকার রাজধানী - প্রিটোরিয়া
৩২) পদত্যাগে রাজি নন - জ্যাকব জুমা
৩৩) রাষ্ট্রপ্রধানের পদ থেকে সরানের জন্য নির্দেশ দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে - এএনসির নির্বাহী কমিটির
৩৪) জ্যাকব জুমা দ. আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন - ২০০৯ সালে
৩৫) এএনসির ডেপুটি প্রেসিডেন্ট - সিরিল রামাফোসা


৩৬) বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় - ৭২% গ্রামে বাস করে
৩৭) কৃষিখাতে নিয়োজিত শ্রমশক্তি - ৪৩%
৩৮) জিডিপিতে কৃষির অবদান - ১৫%
৩৯) গ্রামীন অকৃষি খাতের কর্মীর সংখ্যা - ৪০%
৪০)গোদাগাড়ী সীমান্তটি - রাজশাহীতে
  প্রতিদিনের সাধারণ জ্ঞান (প্রথম আলো পত্রিকা) Part 5

প্রতিদিনের সাধারণ জ্ঞান (প্রথম আলো পত্রিকা) Part 5

  প্রতিদিনের সাধারণ জ্ঞান (প্রথম আলো পত্রিকা) Part 5
  প্রতিদিনের সাধারণ জ্ঞান (প্রথম আলো পত্রিকা) Part 5


১) বাংলাদেশে মিয়ানমারের একটি সীমান্ত - বুচিডং
২) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পেলেন মানবদরদি ব্রিটিশ নাগরিক - লুসি হল্ট
৩) ক্যামেরায় ছবি ও পায়ের চাপ গণনার মাধ্যমে আজ থেকে সুন্দরবনে শুরু - বাঘ গণনা
৪) ২০১০ সালের জরিপে সুন্দরবনের বাঘ ছিল - ৪০০ থেকে ৪৫০ টি
৫) " নীলকমল " বন রয়েছে - সুন্দরবনে
৬) রাঙ্গামাটি চাকমা চার্কেল প্রধান - রাজা দেবাশীষ রায়
৭) বান্দরবানের বোমাং সার্কেল প্রধান - রাজা উ চ প্রু চৌধুরী


৮) ইতালির রাজধানী - রোম
৯) পোপের প্রশাসনিক বাসভবনের নাম - অ্যাপোস্টলিক প্রাসাদ
১০) বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক - ডেভিড বিয়েসল
১১) যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী - বরিস জনসন
১২) রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে ৮ দেশ জাতিসংঘের বৈঠকে বসছে - ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
১৩) কানসাস অঙ্গরাজ্যটি - যুক্তরাষ্ট্রে
১৪) মালেশিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল - " দ্য বারিসান ন্যাশনাল "
১৫) ভেনেজুয়েলার অধিবাসীদের প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় কড়াকড়ি আরোপ করছে - ব্রাজিল ও কলম্বিয়া
১৬) ব্রাজিলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী - রাউল জাঙ্গামান
১৭) ইরাকের পরিকল্পনামন্ত্রী - সালমান আল জুমাইলি
১৮) ইরাকের পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজন - ৮৮২০ কোটি ডলার
১৯) যুক্তরাজ্যের আশ্রয় লাভের জন্য যে আবেদন করা হয় তাকে বলে - " অ্যাসাইলাম আবেদন "
২০) গণমাধ্যমের উপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে - মালদ্বীপ
২১) উ. কোরিয়ার সাথে আলোচনা সম্ভব - যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স
২২) চায়না শহরটি - ফিলিপাইনে
২৩) ফিলিপাইনের রাজধানীর নাম - ম্যানিলা
২৪) জেরুজালেম ইস্যুতে রাশিয়ার সমর্থন আদায়ে রাশিয়া সফরে - ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
২৫) ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেম দখল করে - ১৯৬৭ সালের ৬ দিনের যুদ্ধে
২৬) জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত - নিকি হ্যালি
২৭) রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী - সের্গেই ল্যাভরভ
২৮) ফিলিস্তিন জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা পায় - ২০১২ সালের ২৯ নভেম্বর
২৯) ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেমে বসতি স্থাপন করে - ১৪০ টি
৩০) রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মান শেষ হওয়ার কথা - ২০২৪ সালে
৩১) এর জন্য বর্তমানে বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ - ১২৬৫ কোটি মার্কিন ডলার
৩২) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মানে বড় ঋণ দিচ্ছে - রাশিয়া
৩৩) ফরাসি পারমাণবিক জ্বালানি কোম্পানি - এআরইভিএ
৩৪) বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে - যুক্তরাজ্যের হিঙ্কলি পয়েন্টে
৩৫) বৈশ্বিক পরমাণুশিল্প পরিস্থিতি ২০১৭ অনুযায়ী বর্তমানে বিশ্বে নির্মানাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র - ৫৭ টি
৩৬) একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানে গড়ে সমময় লাগছে - ১০ বছর
৩৭) বাংলাদেশের প্রথমথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র - রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
৩৮) ২০২৫ সালের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমাপ্তি ঘটাবে - তাইওয়ান
৩৯) অতিরিক্ত ব্যয় আর নিরাপত্তার কারনে ২ টি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থগিত করেছে - ভিয়েতনাম
৪০) বৈশ্বিক জ্বালানি খাতে পারমাণবিক জ্বালানির উৎপাদনের হার নেমে এসেছে - ১০.৫% এ
৪১) আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সংস্থার মহাপরিচালক - আদনান জেড আমিন
৪২) ২০১৭ সালে বিশ্বের মধ্যে সোলার হোম সিস্টেম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে - বাংলাদেশে
৪৩) ২০৪০ সাল নাগাদ বিশ্বে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়াতে বিনিয়োগ হবে - ১০ লাখ ২০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার ( ব্লুমবার্গের আউটলুক)
৪৪) এই বিনিয়োগের ৩/৪ অংশ যাবে - নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে
৪৫) দেশে 4G সেবা চালু হচ্ছে - ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ থেকে
৪৬) বাণিজ্যিকভাবে 4G সেবা প্রথম চালু হয় - ২০০৯ সালেনরওয়ে ও সুইডেনে
৪৭) 4G সেবার গতি হবে 3G এর চেয়ে - ২ গুণের বেশি
৪৮) বর্তমানে বাংলাদেশে 3G এর গড় গতি - ৩.৭৫ এমবিপিএস
৪৯) বিশ্বে 4G এর গড় গতি - ১৬.৬MBPS৫০) 4G গতিতে বিশ্বে সবচেয়ে এগিয়ে আছে - সিঙ্গাপুর ও দ. কোরিয়া
৫১) বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হয় - ১৯৯৩ সালেসিটিসেলের মাধ্যমে
৫ ২) গ্রামীনফোনের যাত্রা শুরু হয় - ১৯৯৭ সালে
৫৩) দেশে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা শুরু হয় - ২০০৫ সালে
৫৪) দেশে 3G সেবা চালু করে - টেলিটক২০১২ সালে
৫৫) বর্তমানে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা - ৮ কোটির বেশি (BTRC)৫৬) বর্তমানে দেশে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা - সাড়ে ৭ কোটি ( BTRC)